হোলির দিন রংয়ের উৎসবে মেতে ওঠে গোটা দেশ। বাদ যায় না বারাণসীও। সেখানকার মনিকর্ণিকা ঘাটে একে অপরকে রং মাখিয়ে দেন ভক্তরা। তবে বারাণসীর পুরোনো ঐতিহ্য অনুসারে রং খেলার পাশাপাশি ওইদিন চিতার ছাই দিয়েও হোলি খেলেন ভক্তরা। রংভরি একাদশীর দিন চিতা থেকে ওই ছাই সংগ্রহ করা হয়। এরপর হোলির দিন সকালে প্রথমে মহাশ্মশান নাথ মন্দিরে পুজো দেন তাঁরা। তারপর সেই মহাশ্মশান চত্বরে ওই ছাই দিয়েই হোলি খেলায় মেতে উঠতে দেখা যায় তাঁদের। তবে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এ বার প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ মেনে দেশবাসীকে হোলি খেলার আবেদন করা হয়েছে সরকারের তরফে।