শুক্রবার থেকে কার্যত শুরু হয়ে গেল উৎসবের কাউন্টডাউন। এদিন বিশ্বকর্মা পুজো। দেবতাদের 'ইঞ্জিনিয়ার' তিনি। একদিকে আকাশ যেমন ছেয়ে থাকবে ঘুড়িতে, তেমনই শারদোৎসবের লগ্ন শুরু হয়ে যাওয়ার খুশিতে মাতবে বাঙালি।
বিশ্বকর্মা হলেন দেবলোকের কারিগর, বা সহজ কথায় বলতে গেলে দেবতাদের ইঞ্জিনিয়ার। স্বর্গে দেবতাদের যে কোনওরকম কারিগরী সহায়তার দরকার পড়লেই, মুশকিল আসান একমাত্র বিশ্বকর্মা। তা এই বিশ্বকর্মাই একবার দেবতাদের জন্য উড়ন্ত রথ তৈরি করেছিলেন। শোনা যায়, সেই ঘটনাকে স্মরণ করেই ঘুড়ি ওড়ানো হয় বিশ্বকর্মা পুজোর দিন। তবে এর কোনো প্রামাণ্য তথ্য নেই।
বঙ্গে ঘুড়ি ওড়ানোর প্রচলন অবশ্য ১৮৫০ সাল নাগাদ। শুরুতে বিত্তবানদের খেলা থাকলেও দ্রুত তা সাধারণ মানুষের বৃত্তেও ঢুকে পড়ে। পেটকাঠি, চাঁদিয়াল, ময়ূরপঙ্খী- আরও নানা রকম ঘুড়িতে সেজে উঠুক বিশ্বকর্মা পুজোর আকাশ। কোভিডদীর্ণ এই সময়ে সব রকম সতর্কতা নিয়ে উৎসবে মেতে উঠুক বাঙালি।