থাইরয়েডের সমস্যা সামলানো বেশ ঝক্কির। মূলত হরমোনের তারতম্যের জন্যেই এই রোগ দেখা যায়। গলার কাছে একটি ছোট্ট গ্ল্যান্ডের নাম থাইরয়েড। যখন এই গ্ল্যান্ড খুব বেশি পরিমাণে কাজ করতে শুরু করে, কিংবা প্রয়োজনের তুলনায় কম কাজ করে, তখনই এই রোগ দেখা দেয়। হরমোনের তারতম্য তখন খাওয়াদাওয়ার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।
হাইপোথাইরয়েডিজম থাকলে শরীরের থাইরয়েড গ্ল্যান্ড পরিমাণ মতো হরমোন ক্ষরণ করে না। তাই চুল পড়ে যাওয়া, হৃদস্পন্দন কমে যাওয়া, বিপাক হার কমে ওজন বেড়ে যাওয়ার মতো নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই খাওয়াদাওয়া নিয়ন্ত্রণ করা বিশেষ প্রয়োজন হয়ে পড়ে। কোন খাবারগুলি এই অসুখ থাকলে এড়িয়ে চলাই শ্রেয়, জেনে নিন
কপির মতো যে কোনও খাবারেও সমস্যা হতে পারে থাইরয়েডের ওষুধে। অনেকেই ওজন ঝরাতে ফুলকপি বা কেল পাতার মতো শাক-সব্জি রাখেন ডায়েটে। কিন্তু থাইরয়েড থাকলে এগুলি মেপে খাওয়া বিশেষ প্রয়োজন।
থাইরয়েড থাকলেও অত্যধিক ক্যাফেইন আরওই এড়িয়ে যেতে হবে। তাই কফি কম খাওয়াই ভাল
যে কোনও খাবার যাতে চিনি বা বাড়তি মিষ্টি দেওয়া হয়েছে, তা ডায়েট থেকে বাদ দিন। থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই চিনি এড়িয়ে চলাই ভাল। চিনির বদলে গুড় বা মধু কিছু রান্নায় ব্যবহার করতে পারেন
যে খাবার বাজারে তৈরি প্যাকেটবন্দি তাতে বাড়তি নুন চিনি এবং তেল থাকবেই। তাই এই ধরনের খাবার এড়িয়ে চলুন। প্রসেস করার খাবারও খাবেন না।