লকডাউনে ঘরবন্দি জীবন। বদলে গেছে রোজকার রুটিন। ওয়ার্ক ফর্ম হোমের চাপে অনেক সময়ই এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে পুরনো অভ্যাস। রাত জেগে সিনেমা,মুভি দেখা আর বেলায় ঘুম থেকে ওঠা বন্দিজীবনের রোজনামচায় এসে দাঁড়িয়েছে। এর জেরে বদলে গেছে খাবারের অভ্যাসও। ব্রেকফাস্ট বাদ পড়ছে। বেলা গড়িয়ে বিকেল হতে চললেও দুপুরের খাবার খাওয়া হচ্ছে না। ডিনার সারতে সারতে রাত কাবার হয়ে যাচ্ছে। চিকিতসকরা বলছেন অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের জেরে অজান্তেই শরীরে বাসা বাঁধছে নানা রোগ। তৈরি হচ্ছে বড় বিপদের আশঙ্কা।ডেনিসের এক সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, লকডাউনের সময়ে যারা খাবার পরিমান বাড়িয়েছেন, দিনের বেলায় ঘুমোনোর পরিমান বেড়েছে,ফলস্বরূপ শরীরে জমেছে মেদ, বেড়েছে ওজন।চিকিতসকরা বলছেন গভীর রাতে খাওয়া মানেই পরিপাক প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হওয়া।ক্যালোরি জমছে ফ্যাট হিসাবে।দিনের পর দিন ব্রেকফাস্ট না করার ফল হিসাবে বদহজমের সমস্যাও অবশ্যম্ভাবী।রক্তে শর্করার পরিমান বাড়ায় । এইভাবেই বড় কোনও অসুখে পড়ার সম্ভাবনা বাড়ছে।