স্বাধীনতার ৭৫ তম বছরে ভারতে চালু হল ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের নবতম সংস্করণ ই-রুপি। এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল মূদ্রা। আসুন, জেনে নেয়া যাক ই রুপি ঠিক কী?
একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে, পরিষেবা প্রদানকারী এবং গ্রাহকের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুততম লেনদেন নগদেই সম্ভব। তবে সেক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়ে অনেক সময়। ই রুপির মাধ্যমে দু'পক্ষের মধ্যে কোনোরকম ঝুঁকি ছাড়া ক্যাশলেস এবং কন্টাক্টলেস লেনদেন সম্ভব দ্রুত। নগদ অর্থের কোনও প্রয়োজন পড়বে না।
gfxin (ন্যাশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (NPCI) তাদের ইউপিআই পরিষেবার সাহায্যে ই রুপি তৈরি করেছে। এনপিসিআইকে এব্যাপারে সাহায্য করেছে কেন্দ্রের অর্থনৈতিক পরিষেবা দফতর, স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক এবং জাতীয় স্বাস্থ্য সংস্থা।
বিভিন্ন ব্যক্তিভিত্তিক সরকারি প্রকল্প এবং পরিষেবার জন্য যে অর্থ দিতে হয়, ই রুপির সাহায্যে তা এখন থেকে কোনও মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই দেওয়া যাবে ।
সাধারণ লেনদেন ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের ক্ষেত্রে ই রুপির ব্যবহার করা যাবে। ই রুপি আসলে এক ধরনের ই ভাউচার। তবে এ ক্ষেত্রে ভাউচারটি কিউআর কোড অথবা এসএমএসের মাধ্যমে গ্রাহকের মোবাইলে পাঠানো হবে। যার নামে ভাউচার, তাঁর বিশদ তথ্য এবং কী জন্য অর্থ প্রদান করা হবে তা জানালে প্রাপকের মোবাইলে ভাউচার পাঠাবে ব্যাঙ্ক। যে বা যারা পরিষেবা দিচ্ছে তাদের সঙ্গে গ্রাহককে সরাসরি ডিজিটাল মাধ্যমে যুক্ত করবে এই পরিষেবা।
তবে এর জন্য কোনও কার্ড, পেমেন্ট অ্যাপ বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর, নেটব্যাঙ্কিংয়ের প্রয়োজন নেই। গ্রাহক যেখান থেকে পরিষেবা নিচ্ছেন বা কিছু কিনছেন সেখানে সরাসরি ওই ভাউচারের বিনিময়ে কেনাকাটা করা যাবে, নিরাপদে। মধ্যস্থতাকারী না থাকায় এই জাতীয় লেনদেনে জালিয়াতির সম্ভবনা অনেক কম, স্বচ্ছতা অনেক বেশি। ) gfx out