বারো মাসে তেরো পার্বণ নিয়ে বেঁচে আছে আমাদের বাংলা। বর্ষার কালো মেঘ আকাশে থাকলেও শুরু হয়ে গেছে দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন।বিগত কয়েকবছর করোনাসুরের আক্রমণে ত্রস্ত পৃথিবী। একদিকে মাস্ক,স্যানিটাইজারের সতর্কতা। ঘরবন্দি জীবন। করোনার এই কোপে বাংলার শারদতোসবেও নেমেছে ভাটা। গতবছর নম নম করেই কলকাতা ও জেলায় পুজো সেরেছেন পুজো উদ্যোক্তারা। এবারেও কী সেভাবেই কেটে যাবে বাংলার মেগা কার্নিভ্যাল? আশা নিরাশার দোলাচলে মৃৎশিল্পের আতুঁড়ঘর কুমোরটুলির শিল্পীরা। তবে এরমধ্যেই মৃন্ময়ীকে চিন্ময়ী রূপ দেবার কাজ চলছে উত্তর কলকাতার শতাব্দী প্রাচীন পটুয়া পাড়ায়। এখনও সেভাবে বায়না হয়নি।এরমধ্যেই করোনার চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে মৃত শিল্পী মন্টু পালের প্রতিমা পাড়ি দিল সুদূর জার্মানি।জার্মানির পাশাপাশি আমেরিকার নিউজার্সি থেকেও হয়েছে বায়না
বাইট
মিন্টু পাল
মৃত শিল্পী কুমোরটুলি
০০.০৯-০০.৪৭
জাহাজে করেই কুমোরটুলির প্রতিমা পাড়ি দেবে জার্মানিতে।প্রতিমা তৈরি হয়েছে ফাইবার গ্লাসে।
বাইট
১.৩১-২.২১
আর মাত্র একশো দিনের অপেক্ষা। তারপরেই ঢ্যাংকুড়াকুড় শব্দে মাতাল হবে বাংলার পেঁজা তুলোর আকাশ। আগমনী বরণের প্রতীক্ষায় দিন গোনা শুরু হয়ে গেছে এখন থেকেই।