দুপুরে রীতিমতো ফেসবুক লাইভ করে বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। রাতে সেই সৌমিত্রই আবার জানালেন, তিনি ইস্তফা ফিরিয়ে নিচ্ছেন। তাঁকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তেমনই নির্দেশ দিয়েছেন।
ইস্তফা দেওয়ার সময় অনেক কথা বললেও সৌমিত্রের রাতের পোস্ট ছিল সংক্ষিপ্ত৷ তিনি কেবল জানিয়েছেন, দুপুরের ইস্তফা তিনি প্রত্যাহার করছেন। বিজেপি নেতা বিএল সন্তোষ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপি যুব মোর্চার জাতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্যের নির্দেশেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত বদল।
দুপুরে সৌমিত্র শুভেন্দু এবং দিলীপকে তীব্র কটাক্ষ করলেও শুভেন্দু কোনও কড়া প্রতিক্রিয়া দেননি৷ শুভেন্দু বলেন, "আমি সৌমিত্রকে আমার সহকর্মী বলেই মনে করি।" দিলীপের প্রতি বিষ্ণুপুরের সাংসদের অভিযোগ ছিল, তিনি সব কথা অর্ধেক বোঝেন৷ দিলীপের উত্তর, "যার যেমন বোঝার শক্তি তিনি তেমন বুঝবেন। কে কী বোঝে, তা দেখার তার অধিকার তো তাঁকে দেওয়া হয়নি। হয়তো মন্ত্রীর লাইনে ছিলেন, পাননি, তাই হতাশ।"