সকাল থেকেই যেন টানটান নাটক। যবনিকাপাত হতে সন্ধে গড়াল। তবে এটাই শেষ অঙ্ক কিনা তা বলার সময় এখনও আসেনি। সোমবার সকালে সিবিআই-এর তিনটি দল পৃথকভাবে হাজির হয় সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে। তাঁদের নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসা হয়। এরপরেই ফিরহাদ হাকিমের বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাঁর অনুগামীরা সিবিআই-এর গাড়ির সামনে শুয়ে বাধাদানের চেষ্টা করেন। ফিরহাদ নিজেই তাঁদের সরে যেতে বলেন। তাঁকেও নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসা হয়। চারজনকে পৃথকভাবে বসানো হয় সেখানে। প্রথমে সিবিআই দাবি করে,গ্রেফতার নয়, আটক করা হয়েছে তাঁদের। পরে সই করানো হয় অ্যারেস্ট মেমো। খানিকক্ষণের মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফিরহাদের বাড়ি হয়ে নিজে পৌঁছে যান নিজাম প্যালেসে। সেখানে ততক্ষণে দলে দলে ভিড় করেছে তৃণমূল কর্মীরা। সিবিআই আধিকারিকদের মমতা বলেন, তাঁকেও গ্রেফতার করা হোক। দুপুর দু'টো নাগাদ রাজভবনের সামনেও তৃণমূলের বিক্ষোভ শুরু হয়। মমতা ঠায় বসে থাকেন নিজাম প্যালেসে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে বিক্ষোভের খবর আসতে থাকে। বিকেলে ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ আদালতে শুনানি শুরু হয়। মমতা তখনও নিজাম প্যালেসেই বসে আছেন৷ সাড়ে চারটে নাগাদ শুনানি শেষ হলে বেরোন তিনি। সন্ধে সাতটা নাগাদ বিচারপতি অনুপম মুখোপাধ্যায় চারজনকেই জামিন দেন।