আসল জয় সেদিন হবে, যেদিন তাঁদের মেয়ের আসল খুনি ধরা পড়বে। মঙ্গলবার আরজি কর মামলায় সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণকে স্বাগত জানিয়ে একথা জানাল নির্যাতিতার পরিবার। আরজি করের ঘটনায় নিহত চিকিৎসকের বাবা জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের উপর তাঁর এবং তাঁর পরিবারের ১০০ শতাংশ ভরসা রয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, দেশের শীর্ষ আদালত বিচার ব্যবস্থাকে ঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।
সোমবার রাতে জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে বৈঠকের পর কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল এবং ডিসি নর্থ অভিষেক গুপ্তকে সরিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার তাতেই সিলমোহর বসেছে। রাজ্যের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ওই পরিবার। তাঁরা জানিয়েছেন, যাঁরা যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছেন, যাঁরা প্রমাণ লোপাটের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন, সবাইকে যেন তদন্তের আওতায় আনা হয়। এবং সকলে যেন শাস্তি পান।
নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, তাঁরা শুরু থেকেই তথ্য প্রমাণ লোপাটের ব্যাপারে অভিযোগ করে আসছিলেন। সুপ্রিম কোর্ট এদিনের শুনানিতে সেটাই তুলে ধরেছে। কারণ তথ্য প্রমাণ লোপাট করলে একটা সংস্থাকে খুঁজে পেতে সমস্যা হয়। এখানে তথ্য প্রমান লোপাটের ঘটনা ঘটেছে। এবং একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পরেও কাটেনি আরজি কর জট। মঙ্গলবার ৩৯ দিনে পড়েছে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন। নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, তাঁরা শুরু থেকে এই আন্দোলনের সঙ্গে আছেন। এবং আগামী দিনেও থাকবেন। কারণ, তাঁদের সন্তানরাই রাস্তায় বসে প্রতিবাদ করছেন। আর আজ যা হচ্ছে, সবটাই জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের ফসল।