করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে শহরের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলি। তৃতীয় ঢেউয়ে বেশি সংখ্যায় শিশুরা আক্রান্ত হতে পারে। এই আশঙ্কায় হাসপাতালের পরিকাঠামো বাড়ানো এবং কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ এর উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। গত দেড় দু’বছরের করোনা মোকাবিলার অভিজ্ঞতা রয়েছে চিকিৎসকদের। কিন্তু শিশুদের চিকিৎসা পদ্ধতি বা পরিষেবার ক্ষেত্রে অনেক বেশি সংবেদনশীল ও সজাগ থাকার প্রয়োজন বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়লে বেড সংখ্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা রাখছে সব হাসপাতালই। শিশুদের পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রশিক্ষিত চিকিৎসক, নার্সের ঘাটতি মেটাতে ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণও শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মেডিকা হাসপাতালের চেয়ারম্যান ও এমডি চিকিৎসক আলোক রায় জানান, ‘‘চিকিৎসক, নার্সদের প্রশিক্ষণ চলছে। এ ছাড়াও গুরুতর অসুস্থ শিশুদের জন্য ২৫টি ভেন্টিলেটর এবং ১৫টি বাইপ্যাপ ও কেনা হয়েছে।’’
মুকুন্দপুর এবং সল্টলেক আমরি হাসপাতালের একটি করে তল শিশু চিকিৎসার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই মুকুন্দপুর আমরি হাসপাতালে ৩০টি বেড রয়েছে শিশু চিকিৎসায়। নিকু এবং পিকু পরিষেবা-সহ ১০০টি বেড পর্যন্ত বাড়াতে প্রস্তুত এই হাসপাতাল।