কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার পরে রাজনীতি থেকে কার্যত 'ছুটি' নিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। বিজেপির অন্দরে জল্পনা, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন আসানসোলের সাংসদ৷ প্রয়োজনে সাংসদ পদ ছেড়ে দিতে পারেন তিনি। বাবুল এই নিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করতে না চাইলেও ঘনিষ্ঠ মহলে এই সম্ভাবনা উড়িয়েও দেননি।
মন্ত্রীসভা থেকে বাদ পড়ার পর একের পর এক ফেসবুক পোস্টে দলীয় নেতৃত্বের একাংশের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাবুল। পাশাপাশি, নিজের ‘টুইটার বায়ো’-তেও রাজনীতি থেকে নিজের দূরত্বের ইঙ্গিত দিয়েছেন বাবুল। তাঁর ‘তাৎপর্যপূর্ণ’ ইঙ্গিত ক্রমশ জোরালো জল্পনায় পরিণত হচ্ছে। পাশাপাশিই স্পষ্ট হচ্ছে রাজনীতি সম্পর্কে তাঁর বীতশ্রদ্ধা।
মোদী মন্ত্রিসভার শেষ রদবদলে বাবুলকে মন্ত্রিত্ব থেকে সরানোর পর মমতা প্রকাশ্যেই বাবুলের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছিলেন মমতা। ঘনিষ্ঠ মহলে তা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাংসদ। মমতা বলেছিলেন, "ওরা (বাবুলের সঙ্গেই বাদ পড়েছেন অপর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী) আবার কী দোষ করল!"