চতুর্থ দফার ভোটে শীতকুচির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনও উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। প্রকাশ্যে এসেছে শীতলকুচির ১২৬ নম্বর বুথের একটি ভিডিয়ো (ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি এডিটরজি)। টুইটারে ভিডিয়োটি শেয়ার করে বিজেপি নেতা অমিত মালব্য লেখেন, ভিডিয়ো থেকে প্রমাণিত যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৮ এপ্রিলের বক্তব্য এই ঘটনার জন্য দায়ি। সিআইএসএফ ও বুথে হামলা চালাচ্ছে উত্তেজিত জনতা। উত্তেজিত জনতাই আনন্দ বর্মণকে খুন করেছে। কোচবিহারের এসপি ও পোলিং এজেন্টের মদতেই এই ঘটনা ঘটেছে বলেও টুইটারে অভিযোগ তুলেছেন মালব্য। এর পাল্টা টুইটারে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন। এই ঘটনার জন্য কেন্দ্রকেই দায়ি করেছেন তিনি। লেখেন, "ভিডিও ফুটেজ যা মোদী-শাহ ও নির্বাচন কমিশন আগে কখনও প্রকাশ করেনি। ঠান্ডা মাথায় শীতলকুচির নিরীহ মানুষদের হত্যা করা হয়েছে।"
১০ এপ্রিল রাজ্যে চতুর্থ দফার ভোট চলাকালীন চলেছিল গুলি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারান ৪ জন। আহত হন আরও চার জন। তার আগে সকালে ভোটের লাইনে প্রাণ হারান প্রথবার ভোট দিতে আসা যুবক আনন্দ বর্মণ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিবৃতি পাল্টা বিবৃতির পালা। আর মধ্যেই প্রকাশ্যে এল এই ভিডিয়ো। সেখানে একদল মানুষকে বাঁশ-লাঠি নিয়ে ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছে। বুথে ভাঙচুর চালায় তারা। ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের দরজা লাথি মেরে ভেঙে ফেলার চেষ্টা করে। দরজায় সজোরে আঘাত করা হয় বাঁশ দিয়েও। যদিও এই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি এডিটরজি।