এই একলা ঘর আমার দেশ। আমার একলা থাকার অভ্যাস। অতিমারির এই সময়ে এটাই এখন আমাদের চেনা ছবি। এক গভীর অসুখে আক্রান্ত গোটা পৃথিবী। করোনার ছোবলে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। বিপর্যস্ত জীবন। ঘরবন্দি জীবনে এখন রাত-দিন প্রায় সবই সমান। চার দেওয়ালের ঘেরাটোপে থাকতে থাকতে বদলে যাচ্ছে মন। তলে তলে বাসা বাঁধছে মনের অসুখ। কেউ তলিয়ে যাচ্ছেন চরম অবসাদে, কেউ বা নিজের সঙ্গে লড়তে লড়তে ক্লান্ত, অবসন্ন। কোনও কিছুই আর ভাল লাগছে না। মন ভাল নেই , এই উপসর্গ ক্রমশই দীর্ঘায়িত হচ্ছে। পরিবারের মানুষগুলোকেও আর ভাল লাগছে না। বই পড়তে,গান শুনতে,কিছুই ইচ্ছে করছে না। এমনটা চলতেই থাকে, তবে কিন্তু বিষয়টা মোটেই স্বাভাবিক নয়। মনোবিদরা বলছেন, এসবই অবসাদের প্রার্থমিক লক্ষণ।
বাইট
সুব্রত সাহা
বাইট
০০.২২-০০.৫৪
অতিমারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছে গোটা বিশ্ব। যতদিন না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে ততদিন নিজেকে ঠিক রাখতে হলে, মন খারাপের রোগ থেকে রেহাই পেতে হলে প্রতিদিনের জীবনে কিছু অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি, বলছেন মনোবিদরাই
GFX IN
মন ভাল রাখতে কী করবেন?
রাতের ঘুমের সঙ্গে আপোস করবেন না
সকালে যোগাভ্যাস,প্রাণায়ম, ব্যায়াম করুন
প্রচুর পরিমানে জল খান, এতে মস্তিষ্কে অক্সিজেন পৌঁছবে
লেখা অভ্যাস করুন, ডায়েরির পাতায় মনের কথা লিখে ফেলুন
GFX OUT
বাইট
সুব্রত সাহা
১.০৬-১.৫৬
গবেষণা বলছে দীর্ঘ লকডাউনের সময় গার্হস্থ্য হিংসা যেমন বেড়েছে,তেমনি বেড়েছে মানসিক অবসাদ।কোনও কোনও ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে আত্মহত্যার প্রবনতাও তৈরি হচ্ছে কমবয়সীদের মধ্যে।সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশের ৪৬ শতাংশ ছেলে-মেয়ে যাদের বয়স ২০ থেকে ৩০ এর মধ্যে অজানা আতঙ্কের শিকার। ২৯ শতাংশের মধ্যে মৃত্যুভয় তৈরি হয়েছে। ভুল বকা, ভুলে যাওয়া, কিম্বা অনিদ্রার মতো উপসর্গ নিয়েই দিন কাটাচ্ছেন বহু মানুষ।