PM Modi's warning: urge people to not let their guard down | Editorji
  1. home
  2. > national
  3. > PM Modi's warning: urge people to not let their guard down
replay trump newslist
up NEXT IN 5 SECONDS sports newslist
tap to unmute
00:00/00:00
NaN/0

'আমার প্রচারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার অধিকার রয়েছে কমিশনের', বললেন দিলীপ ঘোষ

Apr 16, 2021 19:48 IST | By Editorji News Desk

বিতর্ক তাঁর পিছু কখনওই ছাড়ে না। তাঁর যে কোনও মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়ে যায় বিতর্ক। তা মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়েই হোক বা অন্য কোনও বিষয়ে হোক না কেন। আর এই বিতর্কিত মন্তব্যের জেরেই তাঁর প্রচারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে নির্বাচন কমিশন। যদিও তাতে কোনও সমস্যা নেই বলেই জানিয়েছেন। বরং নির্বাচন সুস্ঠু করার লক্ষ্যেই কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে এডিটরজির সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। 

  • মন্তব্যের জেরে আপনার প্রচারের উপর নির্বাচন কমিশনের তরফে ২৪ ঘণ্টার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কী বলবেন?

এগুলো রাজনীতির অঙ্গ। শুধুমাত্র আমি নয়, মুখ্যমন্ত্রীর প্রচারের উপরও ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এর আগেও অনেক বড় বড় নেতাদের করা হয়েছে। আমরাও চাই নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবেই হোক। কোনও একটা জায়গা থেকে উত্তেজনা ছড়ালে তার প্রত্যুত্তরে বিষয়টা বেড়েই যায়। নির্বাচন কমিশন সবাইকে নোটিশ দিয়ে তারপর ব্যান করেছেন। কমিশন এভাবে সবাইকে সতর্কবার্তা দিয়েছে। আর পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন হাইভোল্টেজ হয়। আর সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুরু করেছেন। এর জন্য তাঁকে সেই ফল ভোগ করতে হয়েছে। আর আমরাও বক্তব্য রেখেছিলাম। তাই আমাদেরও সতর্ক করেছে। আমার মনে হয় এটা নির্বাচন কমিশনের অধিকারের মধ্যেই পড়ে।

  • গুলি চালানো নিয়ে আপনি ও আপনার দলের নেতারা যে মন্তব্য করেছিলেন তা কি এখনও বলবেন ঠিক করেছেন?

আমি কারও বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করিনি। কারণ তার তিনদিন আগে সেখানে গিয়ে আমি আক্রান্ত হয়েছিলাম। ওখানে দুটো বিধানসভা রয়েছে, সিতাই ও শীতলকুচি। সেখানে কোনও নেতা যায় না। যারা ওখানে উৎপাত করে তারা লোকসভা ভোটে ফ্ল্যাগ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল। আমি গিয়েছিলাম, যতবার গেছি ততবার আমার গাড়ি ভাঙা হয়েছে। কালো পতাকা দেখানো হয়েছে। তবু আমি গেছি। আর আমি যা বলেছিলাম তা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে। আমার উপর যেমন খোলা মাঠে হামলা হয়েছে। সেদিন যাঁদের মৃত্যু হয়েছে তাঁরা হয়তো ভোটার নন। অসৎ উদ্দেশ্যেই এসেছিলেন। তাই বলেছিলাম যারা নির্বাচনে হিংসা ছড়াবে, উৎপাত করবে তাদের সঙ্গে এই ধরনের ঘটনা ঘটবে। আর এটা আমি করিনি। আমার উপর হামলা হয়েছিল। এটা প্রশাসনের দায়িত্ব, প্রশাসন এটা করেছে।

  • ভোটের প্রচার হচ্ছে, সবাই রাজ্যে আসছেন। এই পরিস্থিতিতে দেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলির সচেতন হওয়া উচিত ছিল না কি ?

আমি এই কথা এক বছর আগে থেকে বলছি। যখন সব জায়গাতে লকডাউন ছিল তখনও ভাঙড় থেকে ৫ কিলোমিটার ভিতরে সভা হয়েছে। ২০ হাজার লোক জমায়েত করেছিলেন। কারও মুখে মাস্ক ছিল না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে রাস্তায় ঘুরেছেন। ফলে এখানকার লোক মানেনি। সংক্রমণ বেড়েছে, কমেছে। সেটা তখন থেকেই চলে আসছে। আমাদের সভাতে এখন সবথেকে বেশি ভিড় হচ্ছে। আমি তাও সবাইকে সতর্ক থাকতে বলব। কারণ ওষুধ এখনও বেরোয়নি। ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও লোকে অসুস্থ হচ্ছেন। হয়তো প্রকোপটা কম। কিন্তু, বিচিত্র বিষয় যেখানে কম মানা হচ্ছে সেখানে সংক্রমণ কম। মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, দিল্লি এগিয়ে রয়েছে। সেখানে তো কোনও ভোট নেই। জনসভাও হচ্ছে না। তাহলে সেখানে কেন বাড়ছে। আমার মনে হয় এই বিষয়ে আরও গুরুত্ব দেওয়া দরকার। তবে নির্বাচন, পরীক্ষা সবই হোক। তবে সতর্কতা মেনে।

  • আপনাদের যে সব হাইপ্রোফাইল সভা হচ্ছে সেখানে কাউকে সতর্কতা মানতে দেখছি না...

মানুষ এক প্রকার বিষয়টা ভুলেই গেছেন। যখন প্রথমবার করোনা এল তখন ভয়ে মানুষের মৃত্যু হচ্ছিল। এখন মৃত্যুর হার কম, সংক্রমণের হার অনেক বেশি। অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। তবুও যদি কখনও বিষয়টা হাতের বাইরে চলে যায় তাহলে এত মানুষকে চিকিৎসা করানোর মতো ব্যবস্থা আমাদের দেশে কেন কোথাও নেই। তাই অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে, আমরাও সতর্ক থাকার চেষ্টা করি।

  • এ বার তালিকায় অনেক তারকা প্রার্থী। এ বিষয়ে কী বলবেন?

সব নির্বাচনে কম বেশি সব দলই এটা করে। যাদের কাছে যান না তারকারা সেই দল বলে আমরা করি না। কিন্তু, বিষয়টা হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেকটা বেশি করেছেন। অনেককে কান ধরে এনে নির্বাচনে লড়তে বাধ্য করেছেন। আগে সবাই তাঁর দলে ছিলেন। এখন অনেকেই বেরিয়ে এসেছেন। কারণ তাঁরা জানেন যে দিদিমণি কিছু করতে পারবেন না। রাজনীতিতে যে কোনও পেশার মানুষ আসতে পারেন। আমি মনে করি বিভিন্ন পেশার সফল ব্যক্তিদের রাজনীতিতে আসা উচিত। রাজনীতির যেভাবে পতন হয়েছে সেখান থেকে সেটাকে তুলে আনতে হয়। তার জন্য যোগ্য মানুষদের দরকার আছে। আর তাঁদের মনে সমাজের প্রতি যে আবেদ রয়েছে তার মাধ্যমে তাঁরা কিছু করুন। তাহলে অনেক ভালো হবে।

  • তাঁদের উদ্দেশ্যেই আপনি বলেছিলেন, "দরকার হলে রগড়ে" দেব। এই মন্তব্যের মাধ্যমে কি বলতে চেয়েছিলেন ?

আমি তাঁদের কথা বলেছিলাম যাঁরা রাজনীতিতে না থেকে রাজনীতি করেন। যাঁরা এসেছেন তাঁদের স্যালুট করছি। অমিতাভ বচ্চন সফল হননি। তাতে কি হয়েছে সবাই সব জায়গাতে সফল হন না। যাঁরা কোনও দলের মধ্যে থেকে নিজেদের নিরপেক্ষ দেখান। আর সবাইকে জ্ঞান দিয়ে বেরান কোনও দায়িত্ব নেন না বলে। আমি তাঁদেরকে বলেছি। কিন্তু, যাঁরা রাজনীতিতে এসেছেন তাঁদের আমি স্বাগত জানিয়েছি।

  • এ বারের নির্বাচনে একদিকে ঘাসফুল ও একদিকে পদ্মফুল। আর মাঝখানে সংযুক্ত মোর্চা। সেখানে সংযুক্ত মোর্চা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে?

আগেও কংগ্রেস ও সিপিএমের জোট হয়েছে। তখনও কিছু লাভ হয়নি। এখন আমরা শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে রয়েছি। তাই সাধারণ মানুষ আমাদের দিকে আসছেন। আমার মনে হয় এ বারের নির্বাচনে সংযুক্ত মোর্চা কোনও ফ্যাক্টর নয়।

  • সিপিএম এ বার অনেক নতুন মুখ সামনে এসেছে। আপনার মনে হয় এই নতুন মুখও ফ্যাক্টর হতে পারবে না?

যখন নতুন চেহারাগুলোকে আনার দরকার ছিল তখন তাঁরা আনেননি। পুরোনোরা যখন হাঁটতে পারছে না তখন নতুনদের আনা হয়েছে। গত বিধানসভায় যদি তাঁরা নতুনদের আনতেন তাহলেও মানুষের মনে একটা আশা থাকত। এটা তাঁদের দলের একটা নিয়ম। বিমান বসু ৭৫ পাড় করে গিয়েছেন এখনও হাঁটছেন। নতুনদের এ বার জায়গা করে দিন। আমাদের দলেও অনেক বর্ষীয়ান নেতারা রয়েছেন। কিন্তু, তাঁরা আর নির্বাচনে লড়ছেন না। নতুনদের হাতে দল তুলে দিয়েছেন। তাই দল এগিয়ে চলেছে।

  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী চলছে। তাঁর নির্দেশেই সাধারণ মানুষকে কেন্দ্রীয় বাহিনী ধমকাচ্ছে। এমনই অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়...

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি। উনি একটু বেশি মিথ্যে কথা বলেন। এখন হেরে যাওয়ার ভয়ে আরও মিথ্যে বলছেন। ২০১১ সালে তিনিই কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছিলেন। আর তাদের সাহায্যেই তিনি জিতেছিলেন। যখন তাঁকে জিতিয়েছিল তখন কি উনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর সবার নাম লিখে রেখেছিলেন। যে কারা কারা ছিল। আর এখন কারা এসেছে। আসলে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুন্ডারা কিছু করতে পারছে না। তাই মুখ্যমন্ত্রী তাদের গালিগালাজ করছেন।

  • নন্দীগ্রামে রিগিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী...

এগুলো ওঁর মনের ভ্রম। নন্দীগ্রামেও হারবেন, পুরো দলটাই হারবে। যেগুলোতে ওঁরা জিতেছিলেন সেগুলো এ বার তাঁদের হাতের বাইরে বেরিয়ে যাবে। কারণ বিজেপি গত দু বছরে সেগুলোতে অনেক কাজ করেছে। তার ফল আমরা এখন পাচ্ছি।

  • জেলার আসন বাদ দিয়ে আপনারা কি কলকাতার আসনগুলো কি আপনারা জিততে পারবেন?

হয়তো ভিতরে ভিতরে দিচ্ছেন। না হলে এত ভোট পেলাম কীভাবে। তবে এ বার তাঁরা কাকে ভোট দেবেন সেটা তাঁদের বিষয়। আমরা বাংলার পরিবর্তনের জন্য লড়াই করছি। যাঁরা পরিবর্তন চান তাঁরা আমাদের সঙ্গে আসছেন।

  • শীতলকুচির ঘটনায় অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী...

আসলে উনি হেরে গিয়েছেন জেনেই লাইমলাইটে থাকতে চাইছেন। না হলে মাথাভাঙায় যাওয়ার কোনও কারণ ছিল না। ধরনা দেওয়ার কোনও প্রয়োজন ছিল না। আর এভাবে প্রচারে থাকতে গিয়ে দলটাই উঠে গেল। দল উঠে যাওয়ার জন্য উনি নিজেই দায়ি।

  • আপনারা পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়তে পারবেন?

আমরাই গড়ব। ২০০-র বেশি আসন পাব। সংখ্যাটা ২০০-র উপরে থাকবে। তার নিচে যাবে না।

  • বাংলায় বিজেপি যখন অনেক চেষ্টা করেও জমি শক্ত করতে পারছিল না তখন দিলীপ ঘোষকে নিয়ে আসা হয়েছিল। তিনি আসার পরেই লোকসভা নির্বাচনে দল ভালো ফল করে। তাহলে কি দিলীপ ঘোষকেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে পাব?

এটা আমার বিষয় নয়, দলের বিষয়। আমরা জেতার পর এই বিষয়টা আসবে। দলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অনেক সুযোগ্য মানুষ আছেন। আমাকে সংগঠনকে শক্ত করার কাজ দেওয়া হয়েছে সেটাই করছি। তবে দলথেকে যদি আমাকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয় মাথা পেতে নেব। এতদিন যা বলেছে তাই করেছি।

  • আপনি কি সত্যিই মনে করেন গোরুর দুধে সোনা আছে?

আমি দুধ খেয়ে হজম করি। যারা দুধ খেতে পারে না তারা বুঝবে কেমন করে সোনা আছে না রুপো। তাদের তো গ্যাস হয়। এই ধরনের কিছু মানুষ আছেন যাদের আমার কথা শুনলে কষ্ট হয়। দুধের মধ্যে সব ধরনের উপাদান রয়েছে। কিন্তু, কেউ যদি দুধ থেকে সোনা বের করে গয়না গড়াতে যান তাহলে ভগবান তাঁর মঙ্গল করুন।

  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বারমুডা পরতে বলেছিলেন। যা নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে কী বলবেন?

একজন মহিলা শাড়ি পরে থাকবেন আর পা তুলে দেখাবেন এটা কোন ভদ্রতার মধ্যে পড়ে। আমি সবাইকে জিজ্ঞাসা করতে চাই যে আপনার মা, বোন, বউ যদি এমন করেন তাহলে কী বলবেন? আমার মান সম্মান, নীতিবোধ ও সাহস আছে তাই বলেছি। যাদের কোমর বেঁকে গিয়েছে তাঁরা বলেননি। আর এটা ঠিক যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে গেলে তাঁদের খুব কষ্ট হবে। শাড়ি, ধুতি আসল বিষয় নয়।

  • আপনি কি মনে করেন যে মেয়েরা যদি স্কার্ট বা শটর্স পরে তাহলে সেটা আমাদের সংস্কৃতির মধ্যে নয়?

আমি তো নিজেই বারমুডা পরতে বললাম। উনি যখন পা টাই দেখাবেন তাহলে বারমুডা পরুন। তাহলে আর খুব বেশি কষ্ট করতে হবে না। শাড়ি তুলে পা দেখানো কি ভদ্রতা? সে তো গ্রামের দিকে মহিলারা যখন জমিতে কাজ করতে যান তখন শাড়ি হাঁটু পর্যন্ত তুলে নেন। কিন্তু, আপনি বলবেন পা ভেঙে গেছে আবার শাড়ি তুলে পা দেখাবেন এটা আমার ভালো লাগেনি। এটা যেই করুক না কেন আমি সহ্য করতে পারি না। উনি মুখ্যমন্ত্রী বলে যা খুশি তাই করবেন।

  • পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফার নির্বাচন প্রসঙ্গে তৃণমূল ও মুখ্যমন্ত্রীর দাবি বিজেপিকে জেতানোর জন্য নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা নিয়ে কী বলবেন?

যারা যখন জেতে তখন সব ঠিক থাকে। আর হারলেই মুশকিল। তৃণমূল যখন দু বার জিতল তখন কোনও সমস্যা হয়নি। ইভিএমও ঠিক ছিল। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন আপনি যদি ঠিক কাজ করেন তাহলে সাধারণ মানুষ ঠিক ভোট দেবেন।

  • করোনা পরিস্থিতির জেরে সংযুক্ত মোর্চা বলছে প্রচার করবে না। মুখ্যমন্ত্রী তিন দফার নির্বাচন একসঙ্গে করার দাবি জানিয়েছেন। বিজেপি কি এমন কোনও দাবি জানাবে?

সংযুক্ত মোর্চাকে নিয়ে কারও কোনও মাথাব্যথা নেই। তারা প্রচার করলেও মানুষের কিছু যায় আসে না। মুখ্যমন্ত্রীও জানেন হেরে গেছেন। তাই প্রচার করে টাকা কেন নষ্ট করবেন। আমরা লড়াই করে জমি তৈরি করেছি।

National