will annual budget proposal address the declining mental health issue during pandemic? - অতিমারীতে ভেঙেছে মনের স্বাস্থ্য, ক্ষতয় কতোটা মলম দেবে কেন্দ্রীয় বাজেট? | Editorji Bengali

editorji

editorji অ্যাপ ডাউনলোড করুন
google apple
  1. home
  2. > লাইফস্টাইল
  3. > অতিমারীতে ভেঙেছে মনের স্বাস্থ্য, ক্ষতয় কতোটা মলম দেবে কেন্দ্রীয় বাজেট?
replay trump newslist
up NEXT IN 5 SECONDS sports newslist
tap to unmute
00:00/00:00
NaN/0

অতিমারীতে ভেঙেছে মনের স্বাস্থ্য, ক্ষতয় কতোটা মলম দেবে কেন্দ্রীয় বাজেট?

Jan 28, 2021 21:48 IST

দেশের অর্থনীতির ওপর অতিমারীর প্রভাব নিয়ে তর্ক-বিতর্কের আড়ালে বেশ খানিকটা চাপা পড়ে গিয়েছে মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি। প্যান্ডেমিকের প্রভাবে অর্থনীতি ধ্বসে পড়তে বরং খানিকটা সময় লেগেছিল। তবে দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষের  মনের শরীরে ঘুন ধরেছে অতিমারীর একেবারে শুরু থেকেই। অথচ, প্রথম বিশ্বের দেশগুলোর মতো ভারতে মেন্টাল হেলথ-কে ততটা গুরুত্ব দেওয়া হয়না এখনও। বেশ কিছু ক্ষেত্রে মেন্টাল হেলথ নিয়ে কথা বলাটাই এখনও সামাজিক ট্যাবু।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO বলে, মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসা কিন্তু কম খরচেও সম্ভব। কিন্তু সারা বিশ্বের ছবিটা কম বেশি অন্যরকম গল্প বলে। যাঁদের মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসা দরকার, আর বাস্তবে যারা চিকিৎসা করাতে পারেন, এই দুইয়ের মধ্যে বিস্তর ব্যবধান। এবার আসা যাক আমাদের দেশের কথায়।


ভারতে কেন্দ্রীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে যত বরাদ্দ হয়, তার ০.০৫ শতাংশ থাকে মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসায়। মানসিক সমস্যায় ভোগা প্রতি ১৩,০০০ জনের জন্য ১ জন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ রয়েছেন আমাদের দেশে। পরিসংখ্যান বলছে দেশের ৭.৫ শতাংশ মানুষ কোনও না কোনও মানসিক অসুস্থতার শিকার। পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যাপ্রবণ দেশগুলির মধ্যে ভারত অন্যতম। অতিমারী আবহে মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটেছে সারা দেশেই। সব বয়সের মানুষের মধ্যেই সম্পূর্ণ অচেনা, নতুন একটি রোগ নিয়ে তৈরি হয়েছে ভয়, আতঙ্ক। সামাজিক দূরত্বের মতো সতর্কতামূলক কিছু স্বাস্থ্যবিধি মানুষের মধ্যে বিচ্ছন্নতা বোধ বাড়ানোয় বেড়েছে উদ্বেগ, একাকিত্ব।


ঘরে ঘরে মানসিক অসুস্থতা কিন্তু আখেরে সমাজের ওপরেই বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। তাই মাথায় রাখতে হবে, মানসিক স্বাস্থ্যনীতিকে জনস্বাস্থ্যনীতির আওতায় আনার জন্য সরকারের পাশে দাঁড়ানো খুব দরকার। মানসিক ভাবে ধুঁকতে থাকা একটা সমাজ কিন্তু উন্নয়ন এবং দারিদ্র দূরীকরণের পথেও বাধা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, মানসিক অসুস্থতা কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার পেছনে একটা বড় কারণ।

আমাদের দেশে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাজেট এবং আসল খরচের মধ্যে বিস্তর ব্যবধান থাকায় তাৎক্ষনিক, স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপ করা হয়। তাতে আদতে সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হয় না। এ হেন পরিস্থিতিতে সরকারের উচিত, স্বাস্থ্য পরিষেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়া। এছাড়া স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানো, মানসিক স্বাস্থ্যের সচেতনতা বাড়াতে বেশি অর্থ ব্যয় করা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মত, মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গী বদলালে, প্রাথমিক চিকিৎসার দায়িত্বটুকু রাষ্ট্র নিলে সমস্যার সমাধান সম্ভব।

লাইফস্টাইল