১ মে থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সবাই করোনার টিকা নিতে পারবেন। সোমবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে একথা ঘোষণা করা হয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ভয়াবহ আকার নিচ্ছে দেশে। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। আর সংক্রমণ ঠেকাতে তৃতীয় দফায় এই বিশেষ পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। ৫০ শতাংশ টিকা কেন্দ্রীয় সরকারকে দেবে প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি। আর বাকি ৫০ শতাংশ প্রস্তুতকারক সংস্থা খোলাবাজারে ও রাজ্যকে বিক্রি করতে পারবে।
সোমবার দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি রিভিউ বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "ভারতের অধিকাংশ মানুষ যাতে প্রতিষেধক নিতে পারেন তার জন্য এক বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকার চেষ্টা করছে। বিষয়টি ইতিমধ্যেই রেকর্ড গতিতে এগিয়েছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে আরও দ্রুত গতিতে কাজ করব।"
সেই বৈঠকের পর তৃতীয় দফায় 'উদারীকরণ এবং ত্বরান্বিত' টিকাকরণ প্রক্রিয়ার জন্য নয়া কৌশলের ঘোষণা করে কেন্দ্র। আর সেই প্রক্রিয়াতেই ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে থাকা সবাইকে করোনার টিকা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশেজুড়ে করোনার টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর প্রাথমিকভাবে করোনা যোদ্ধাদের টিকা দেওয়া হচ্ছিল। তারপর ধাপে ধাপে টিকাকরণের সীমা আরও বাড়ানো হয়। এই মুহূর্তে ৪৫ বছর ও তার ঊর্ধ্বে থাকা সবাইকে টিকা দেওয়া হচ্ছে। ১ মে থেকে সেই বয়সসীমা কমিয়ে ১৮ বছর করা হয়েছে।