তিস্তার জল নিয়ে যতটুকু বিতর্কই থাকুক অথবা অন্য কোনও অন্য কোনও কূটনৈতিক টানাপোড়েন, বাংলাদেশ তো কেবল ভারতের পড়শি দেশই নয়, দীর্ঘ ৫ দশকের বন্ধুরাষ্ট্র। এই বছরটা আবার ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ৫০ তম বছর। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক শেখ মুজিবুর রহমানের শতবর্ষও বটে৷ এমনই ঐতিহাসিক সব ঘটনার আবহে নয়াদিল্লি এবং নবান্নের সঙ্গে আম-দৌত্যে উদ্যোগী হল ঢাকা।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য ঝুড়িভর্তি আম পাঠালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অবশ্য, ঝুড়িভর্তি না বলে লরিভর্তি বলাই ভাল। এক-আধটা নয়, রবিবার দুপুরে বনগাঁ পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় আধিকারিকদের হাতে ২৬০০ কেজি আম তুলে দিলেন বাংলাদেশ সরকারের কর্তারা।
দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক এবং বন্ধুত্ব অটুট রাখার বার্তা দিয়ে পাঠানো হল হাড়িভাঙা আম। নাম হাড়িভাঙা, তবে আসলে দুই পড়শি রাষ্ট্রের মধ্যে সুসম্পর্ক যাতে না ভাঙে, সেই জন্যই এমন উদ্যোগ ঢাকার।