করোনার প্রথম ঢেউয়ে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের প্রবণতা ছিল কম। কিন্তু দ্বিতীয় ঢেউয়ে শিশুরা তুলনামূলক বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। অনেকক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, আক্রান্তদের বয়স ৫-এর নীচে, একমাসের শিশুও আক্রান্ত হচ্ছে রোগে। প্রথম ঢেউয়ে মা-বাবা আক্রান্ত হলেও , তার আঁচ পড়েনি সন্তানের ওপর। এ বারের ছবিটা অন্যরকম। পরিবারের একজনের করোনা হলেই সেই পরিবারের শিশুরও করোনা হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে। শিশুদের সংক্রমণ আটকানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড়ো সমস্যা, শিশুদের জন্য ভ্যাক্সিনেশন চালু হয়নি এখনও।
শিশুদের সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, সেই নিয়ে কথা হল শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডঃ অগ্নিমিতা সরকারের সঙ্গে। শুনে নেওয়া যাক কী বললেন তিনি।
অগ্নিমিতা বাইট
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুদের শরীরে করোনার যে উপসর্গগুলি দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য জ্বর, বমি বমি ভাব, মাথা ব্যথা। জানুয়ারি মাসের ১৫ থেকে ২৩ তারিখের মধ্যে রাজধানী দিল্লিতে একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল ১২ বছরের কম বয়সের শিশুদের উপরে। সেখানেই দেখা যায়, মোট পরীক্ষার ৫২ শতাংশের বেশি শিশুর শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি রয়েছে।
বাইট অগ্নিমিতা
এই যুদ্ধের বর্ম মাস্ক। এই বিষয়ে সহমত প্রায় সব চিকিৎসক। মা-বাবাকে রোজ নানা কাজে বাইরে যেতে হয় বা বাইরের লোকের সম্মুখীন হতে হয়। মা-বাবা মারফতই ছোটদের সংক্রমণের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। সামনের কয়েকটা মাস, মাস্ক পরে, একটু দূরত্ব মেনেই না হয় কাটুক কচিকাঁচাদের শৈশব। তাহলে হয়তো আগামীতে ওদের জন্য রেখে যাওয়া যাবে, সুন্দর, সুস্থ, অতিমারী পেরনো, হাহাকার ভোলা একটা সকাল, মাঠে হুটোপুটি করা একটা বিকেল।