কান টানলেই মাথা আসবে। আরজি করের ঘটনায় তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের গ্রেফতারির পর এটাই প্রতিক্রিয়া এই ঘটনার প্রতিবাদে থাকা জুনিয়র ডাক্তাররা। রাতে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে নিজেদের অবস্থান মঞ্চে ফিরে তাঁরা জানিয়েছেন, অপ্রিয় হলেও, এটাই সত্যি। আর এই সত্যি ঢাকতেই কী স্বচ্ছতায় অনীহা ? পাশাপাশি এই প্রশ্নও তুলেছেন তাঁরা।
আরজি করের নির্যাতিতার বিচার চেয়ে লাগাতার ৩৬ দিন ধরে তাঁরা আন্দোলন করছেন। এরইমধ্যে দু দফায় সরকারের সঙ্গে তাঁদের আলোচনায় বসার কথা ছিল। মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের অবস্থান মঞ্চে এসে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। নবান্নের পর শনিবারও যা ভেস্তে গিয়েছে কালীঘাটে। সেই বৈঠক প্রস্তুতির ফাঁকেই আরজি করের ঘটনায় সন্দীপ ঘোষ এবং অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। তাঁদের আজ, রবিবার আদালতে পেশ করা হবে।
এই প্রসঙ্গে জুনিয়র ডাক্তাররা জানিয়েছেন, তাঁরা বিচারের আশায় রয়েছেন। দুই কালপ্রিট গ্রেফতার হয়েছেন। আশা করছেন এই লাইন দীর্ঘ হবে। এবং প্রতিটি কালপ্রিট জেলের ঘানি টানবেন। তাঁদের থেকে সুর এবং স্বর ভিন্ন হলেও সিবিআইয়ের হাতে সন্দীপ ঘোষ এবং অভিজিৎ মণ্ডলের গ্রেফতারি নিয়ে রাজ্যকে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, আরজি করের ঘটনায় প্রমাণ হল পুলিশ তথ্য লোপাট করেছিল।
এর আগে, আরজি করের দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল সন্দীপ ঘোষকে। সম্প্রতি সেই মামলায় সিবিআই তাঁকে হেফাজতে নিতে চায়নি। আলিপুর আদালত সন্দীপকে জেল হেফাজতে রাখতে নির্দেশ দিয়েছিল। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর শুনানি। তার আগে সন্দীপ এবং অভিজিতের গ্রেফতারি এই তদন্তে বড় ব্রেক থ্রু বলেই মনে করেছে ওয়াকিবহাল মহল।