আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের তিনি কোনও হুমকি দেননি। বুধবার মেয়ো রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চে তাঁর বক্তৃতার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সাবেক টুইটারে একথাই জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, এক শ্রেণির সংবাদমাধ্যম এবং এক শ্রেণির সমাজমাধ্যমে তাঁর মন্তব্য কুরুচিকর ভাবে পেশ করা হয়েছে। এবং প্রতিটি রিপোর্ট তিনি দেখেছেন।
এদিনও নিজের টুইটে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আরজি করের ঘটনায় জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন নায্য। তাঁদের আন্দোলনকে তিনি সমর্থন করেন। এক শ্রেণির মানুষ তাঁকে অভিযুক্ত করছে। যা মিথ্যা বলেই স্পষ্ট জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
ইতিমধ্যেই তাঁর ফোঁস বার্তা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে নালিশ করেছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, এই বার্তার মধ্যে দিয়ে রাজ্যের মানুষকে হিংসায় উস্কানি দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন সেই অভিযোগের পাল্টা জবাব নিজের টুইটারে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
তিনি জানিয়েছেন, গতকাল তাঁর বক্তৃতায় যে অংশটা তিনি ব্যবহার করেছেন, তা রামকৃষ্ণের একটা উক্তি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, কিংবদন্তি সাধক বলেছিলেন, মাঝেমাঝে আওয়াজ তুলতে হয়। অপরাধ ও ফৌজদারি অপরাধ হলে প্রতিবাদের আওয়াজ তুলতে হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের মঞ্চ থেকে জুনিয়র ডাক্তারদের নয়, তিনি যে বিজেপিকে হুমকি তা এদিনের টুইটে কার্যত বুঝিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
সেই কারণে সমাজমাধ্যমের তিনি লিখেছেন, তাঁর কথা বিজেপি বিরুদ্ধে। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন কারণ, কেন্দ্রের মদতে তারা এ রাজ্যে গণতন্ত্রকে আঘাত করার এবং নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছে। কেন্দ্রের সমর্থনে বিজেপি অনাচার তৈরি করার চেষ্টা করছে। তাই তিনি তাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছেন।