জবাব দাও সিবিআই। এই স্লোগানে আপাতত ৪৩ দিন পর শেষ হল আরজি কর নিয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন। শনিবার থেকে সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আংশিক ভাবে কাজে ফিরছেন তাঁরা। তবে, কাজে ফেরার আগেও রাজ্যের কোর্টেই বল ঠেললেন তাঁরা। হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন, দাবি পুরোপুরি না মানা হলে তাঁরা ফের কর্মবিরতির পথেই হাঁটবেন।
আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে গত ৯ অগাস্ট থেকে কর্মবিরতিতে বসেছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। গত ৪৩ দিনে তাঁদের আন্দোলনের জেরে অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতি। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই আন্দোলনকে চুলচেরা বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে, জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি মতো একটিও দাবি কার্যত মানেনি রাজ্য। তবে আন্দোলনকারীদের চাপে অনেকটাই ঝুঁকেছে। তাই গত নবান্ন বৈঠকের পরেই রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নতিতে ১০ দফা নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
সেই নির্দেশিকা জারির পরেই কার্যত আংশিক কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সূত্রের দাবি, গত ৪৩ দিনের আন্দোলনে আন্দোলনকারীদের অন্দরেই দেখা গিয়েছে একাধিক বাঁক। দেখা গিয়েছিল দ্বন্দ্ব ও মতানৈক্য। যা তীব্র হয়েছিল বৃহস্পতিবারের জেনারেল বডির বৈঠকে।
তবে, এই অভিযোগ কার্যত স্বীকার করেছেন জুনিয়র ডাক্তাররাও। তাঁরা জানিয়েছেন, ৩০ জনের দলে ৩০ রকম মত থাকতেই পারে। এটাই স্বাভাবিক বলে দাবি করেছেন তাঁরা। সূত্রের দাবি, এর মধ্যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে যে সংগঠন এই আন্দোলনের মধ্যে ছিল, তারা নাকি কাজে ফেরার পক্ষেই বারবার সওয়াল করেছিল। এমনকী শুক্রবার, স্বাস্থ্য ভবনের সামনে থেকে ধরণা প্রত্যাহার নিয়েও আড়াআড়ি ভাগ ছিল দু পক্ষের মধ্যে।